
এসএসসি প্রস্তুতি: অল ইন ওয়ান মাস্টারবুক (বাংলা ১ম)
আপনার এসএসসি প্রস্তুতির সেরা সহায়ক গাইড এবং সাজেশন্স এখন হাতের মুঠোয় সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমরা যারা আসন্ন এসএসসি বোর্ড পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ সহ সর্বোচ্চ নম্বর নিশ্চিত করতে চাও, তাদের জন্য আমাদের এই আয়োজন। গতানুগতিক গাইডের বাইরে গিয়ে, বিগত বছরের বোর্ড প্রশ্নের নিঁখুত এনালাইসিস এবং টপিক ভিত্তিক সাজানো এই 'All in One MasterBook' সিরিজটি তোমাদের প্রস্তুতির অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে।
প্রথম অধ্যায়ঃ ভৌত রাশি ও পরিমাপ (Physical Quantities And Measurement)
পদার্থবিজ্ঞান:
বিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থ ও শক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে বলে পদার্থবিজ্ঞান। পদার্থবিজ্ঞানের মূল লব্য হচ্ছে পর্যবেৰণ, পরীবণ ও বিশেরষণের আলোকে বসতু ও শক্তির ব্লু পান্তর ও সম্পর্ক উদঘাটন এবং পরিমাণগতভাবে তা প্রকাশ করা।
পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ:
খ্রিষ্টপূর্ব ৬২৫ থেকে ২১২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে পদার্থবিজ্ঞানের প্রাচীনকাল বলা হয়। এ সময়ে যেসব বিজ্ঞানী পদার্থবিজ্ঞান বিকাশে অবদান রাখেন তারা হলেন।
১. থেলিস (খ্রিষ্টপূর্ব ৬২৪-৫৬৯): প্রাচীন গ্রিক ও রোম সাম্রাজ্যে থেলিস সূর্যগ্রহণ সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তিনি লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কেও জানতেন।
২. পিথাগোরাস (খ্রিস্টপূর্ব ৫২৭-৪৯৭): বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় নাম পিথাগোরাস। তিনি বিজ্ঞান, ধর্ম, গণিত ও সংগীত, ভেষজ বিজ্ঞান ও বিশ্বতত্ত্ব, শরীর, মন ও আত্মা সবকিছুকেই গাণিতিক সূত্রের সাহায্যে প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। তিনি আগুন, পানি, মাটি ও বায়ু-এ চারটি মৌলের ধারণা দিয়েছিলেন। বর্তমানে বাদ্যযন্ত্র ও সংগীত বিষয়ক যে স্কেল রয়েছে তাতে তার আংশিক অবদান রয়েছে।
৩. ডেমোক্রিটাস (খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬০-৩৭০) : খ্রিষ্টের জন্মের চারশত বছর আগে গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস পরমাণুর প্রাথমিক ধারণা দেন।
৪. আর্কিমিডিস (খ্রিষ্টপূর্ব ২৮৭-২১২): বিখ্যাত গ্রিক গণিতবিদ আর্কিমিডিস লিভারের নীতি ও তরলে নিমজ্জিত বস্তুর ওপর ক্রিয়াশীল উর্ধ্বমুখী বলের সূত্র আবিষ্কার করে ধাতুর ভেজাল নির্ণয় করতে সমর্থ হন। তিনি গোলীয় দর্পণের সাহায্যে সূর্যরশ্মি কেন্দ্রীভূত করে আগুন ধরানোর কৌশলও জানতেন।
৫. ইবনে আল হাইথাম (৯৬৫-১০৩৯) ও আল হাজেন (৯৬৫-১০৩৮): আলোক তত্ত্বের বেত্রে ইবনে আল হাইথাম ও আল হাজেনের অবদান বিশেষ উলেরখযোগ্য। আল হাজেন টলেমির মতবাদের বিরোধিতা করেন এবং মত প্রকাশ করেন যে, বসতু থেকে আলো আমাদের চোখে আসে বলেই আমরা বস্তুকে দেখতে পাই। প্রসারণ সম্পর্কে টলেমির স্থূল সূত্র সম্পর্কে তিনি বলেন যে, আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের সমানুপাতিক এটি শুধু বুদ্র কোণের বেলায় সত্য।
৬. আল-মাসুদী (৮১৬-১৫৬): আল-মাসুদী প্রকৃতি ইতিহাস বিষয়ে একটি এনসাইক্লোপিডিয়া লেখেন। এ গ্রন্থে উইন্ডমিল বা বায়ুকলের উলেরখ আছে। বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশে এ বায়ুকলের সাহায্যে তড়িৎ শক্তি উৎপাদন করা হচ্ছে।
মধ্যযুগে পদার্থবিজ্ঞানের বিকাশ:
রজার বেকন (১২১৪-১২৯৪) ছিলেন পরীৰামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবক্তা। তাঁর মতে, পর্যবেৰণ ও পরীবার মাধ্যমেই বিজ্ঞানের সব সত্য যাচাই করা উচিত।
১. লিউনার্দো দ্য ভিঞ্চি (১৪৫২-১৫১৯): পাখির ওড়া পর্যবেবণ করে উড়োজাহাজের একটি মডেল তৈরি করেছিলেন।
২. ডা. গিলবার্ট (১৫৪০-১৬০৩): চুম্বকত্ব নিয়ে গবেষণা ও তত্ত্ব প্রদান করেন।
করেন।
৩. স্লেল (১৫৯১-১৬২৬): আলোর প্রতিসরণের সূত্র আবিষ্কার
৪. হাইগেন (১৬২৬-১৬৯৫): দোলকের গতি পর্যালোচনা, ঘড়ির যান্ত্রিক কৌশলের বিকাশ ও আলোর তরঙ্গতত্ত্ব উদ্ভাবন করেন।
৫. রবার্ট হুক (১৬৩৫-১৭০৩): পদার্থের স্থিতিস্থাপক ধর্মের অনুসন্ধান করেন।
৬. ভন গুয়েরিক (১৬০২-১৬৮৬): বায়ু পাম্প আবিষ্কার করেন।
৭. রোমার (১৬৪৪-১৭১০): বৃহস্পতির একটি উপগ্রহের পর্যবেৰণ করে আলোর বেগ পরিমাপ করেন।
৮. কেপলার (১৫৭১-১৬৩০): সৌরজগতের প্রচলিত বৃত্তাকার কৰপথের পরিবর্তে উপবৃত্তাকার কৰপথ কল্পনা করেন।
৯. গ্যালিলিও (১৫৬৪-১৬৪২): সরণ, গতি, ত্বরণ, সময় ইত্যাদির সংজ্ঞা প্রদান ও এদের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করেন এবং বস্তুর পতনের নিয়ম আবিষ্কার ও সৃতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন।
১০. স্যার আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭): বলবিদ্যা ও বলবিদ্যার বিখ্যাত তিনটি সূত্র আবিষ্কার করেন। আলোক, তাপ ও শব্দ বিজ্ঞানেও তাঁর অবদান রয়েছে। গণিতের নতুন শাখা ক্যালকুলাসও তার আবিষ্কার।
অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীর আবিষ্কার ও উদ্ভাবন
১. হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড (১৭৭৭-১৮৫১): তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন।
২. মাইকেল ফ্যারাডে (১৭৯১-১৮৬৭): হেনরী (১৭৯৭-১৮৭৯) ও লেঞ্জ (১৮০৪-১৮৬৫) চৌম্বক ক্রিয়ার তড়িৎপ্রবাহ উৎপাদন করে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে ব্লু পাশ্চর প্রকিয়া আবিষ্কার করেন।
৩. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (১৮৩১-১৮৭৯): আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান।
৪. মার্কনী (১৮৭৪-১৯৩৭): বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
৫. বেকেরেল (১৮৫২-১৯০৮): ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
৬. রনজেন (১৮৪৫-১৯২৩): এক্সরে আবিষ্কার করেন।
৭. ম্যান্স প্ল্যাঙ্ক (১৮৫৮-১৯৪৭): কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রদান করেন।
৮. আর্নেস্ট রাদারফোর্ড (১৮৭১-১৯৩৭): পরমাণু বিষয়ক নিউক্লীয় তত্ত্ব প্রদান করেন।
৯. আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫): আপেৰিক তত্ত্ব প্রদান করেন।
১০. নীলস বোর (১৮৮৫-১৯৬২): হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন স্তরের ধারণা দেন।
১১. ওটো হান (১৮৭৯-১৯৬৮) ও স্ট্রেসম্যান (১৯০২-১৯৮০): তারা আবিষ্কার করেন পরমাণু ফিশনযোগ্য।
সভ্যতার বিবর্তনে পদার্থবিজ্ঞানের অবদান:
আধুনিক সভ্যতার বিবর্তনে পদার্থবিজ্ঞানের অবদান অপরিসীম। মানবসভ্যতার বিবর্তনে বিজ্ঞানের যে অবদান, তার বিপুল অংশ এ পদার্থবিজ্ঞানের অবদান। দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন আরাম আয়েশ থেকে শুরব করে জাতীয় জীবনে বিভিন্ন উন্নতিতে পদার্থবিজ্ঞানের অবদান অপরিসীম। এ মহাবিশ্বকে হাতের মুঠোয় এনে বিবর্তনের ধারাকে অব্যাহত রাখতে পদার্থবিজ্ঞানের ভূমিকা অগ্রগণ্য।
মৌলিক রাশি:
যেসব রাশি সাধীন বা নিরপেৰ যেগুলো অন্যরাশির ওপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের ওপর নির্ভর করে তাদের মৌলিক রাশি বলে। মাপ-জোখের বেত্রে বিজ্ঞানীরা ৭টি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যেমন। ১. দৈর্ঘ্য, ২. তর, ৩. সময়, ৪. তাপমাত্রা, ৫. তড়িৎপ্রবাহ, ৬. দীপন তীব্রতা, ৭. পদার্থের পরিমাণ।
লব্ধ রাশি:
যে সকল রাশি মৌলিক রাশির ওপর নির্ভর করে বা মৌলিক রাশি থেকে লাভ করা যায় তাদের সন্ধ রাশি বলে। বেগ, ত্বরণ, বল, কাজ, তাপ, বিভব ইত্যাদি।
পরিমাপের একক:
যে আদর্শ পরিমাণের সাথে তুলনা করে কোনো ভৌত রাশির পরিমাণ নির্ণয় করা হয় তাকে পরিমাপের একক বলে। মিটার, কিলোগ্রাম, সেকেন্ড ইত্যাদি পরিমাপের এককের উদাহরণ।
এস আই (SI) এর মৌলিক এককসমূহ:
দৈর্ঘ্যের একক মিটার (m): শূন্যস্থানে আলো 1/299 792 458 সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে। মিটার (m) বলে।
ভরের একক কিলোগ্রাম (kg): ফ্রান্সের স্যাতেতে ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস্ অ্যান্ড মেজারসে রবিত পরাটিনাম-ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি একটি সিলিন্ডারের ভরকে। কিলোগ্রাম (kg) বলে। এ সিলিন্ডারটির ব্যাস 3.9cm এবং উচ্চতা 3.9 cm।
সময়ের একক সেকেন্ড (S): একটি সিজিয়াম-133 পরমাণুর 9192 631 770 টি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে। সেকেন্ড (S) বলে।
তাপমাত্রার একক কেলভিন (K): পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রার 1/273 16 ভাগকে। কেলভিন (K) বলে।
তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার (A): শূন্যস্থানে। মিটার দূরত্বে অবস্থিত অসীম দৈর্ঘ্যের এবং উপেৰণীয় বৃত্তাকার প্রস্থচ্ছেদের দুটি সমান্তরাল সরণ পরিবাহীর প্রত্যেকটিতে যে পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ চললে পরস্পরের মধ্যে প্রতি মিটার দৈর্ঘ্যে 2 × 10 নিউটন বল উৎপন্ন হয় তাকে। অ্যাম্পিয়ার (A) বলে।
দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা (Cd): ক্যান্ডেলা হচ্ছে সেই পরিমাণ দীপন তীব্রতা যা কোনো আলোক উৎস একটি নির্দিষ্ট দিকে 540 × 10 হার্জ কম্পাঙ্কের একবর্ণী বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং, ওই নির্দিষ্ট দিকে তার বিকিরণ তীব্রতা হচ্ছে প্রতি স্টেরেডিয়ান ঘনকোণে হেড 1/683 ওয়াট।
পদার্থের পরিমাণের একক মোল: যে পরিমাণ পদার্থে 0.012 কিলোগ্রাম কার্বন-12 এ অবস্থিত প্রামাণুর সমান সংখ্যক প্রাথমিক ইউনিট (যেমন: পরমাণু, অণু, আয়ন, ইলেকট্রন ইত্যাদি বা এগুলোর নির্দিষ্ট কোনো প্রবণ) থাকে তাকে। মোল (mol) বলে।
মাত্রা: কোনো ভৌত রাশিতে উপস্থিত মৌলিক রাশিগুলোর সূচককে রাশিটির মাত্রা বলে।
যেমন: বল = ভর × ত্বরণ = ভর × বেগ/সময় = ভর × দৈর্ঘ্য/সময় (২)।
দৈর্ঘ্যের মাত্রা : 1 ভরের মাত্রা M, সময়ের মাত্রা T বসালে বলের মাত্রা পাওয়া যাবে। ML/T(2) বা, MLT(2)।
মিটার স্কেল: পরীৰাগারে দৈর্ঘ্য পরিমাপের সবচেয়ে সরল যন্ত্র হলো মিটার স্কেল। এর দৈর্ঘ্য। মিটার বা 100 সেন্টিমিটার।
ভার্নিয়ার স্কেল: সাধারণ মিটার স্কেলে আমরা মিলিমিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্য মাপতে পারি। এ স্কেলের বুদ্রতম ভাগের ভগ্নাংশের নির্ভুল পরিমাপের জন্য প্রধান সেকলের পাশে যে ছোট আর একটি স্কেল ব্যবহার করা হয় তাকে ভার্নিয়ার স্কেল বলে।
ভার্নিয়ার ধ্রুবক: প্রধান স্কেলের বুদ্রতম এক ভাগের চেয়ে ভার্নিয়ার স্কেলের একভাগ যতটুকু ছোট তার পরিমাণকে বলা হয় ভার্নিয়ার ধ্রববক (Vernier Conslant)। একে VC দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
ভার্নিয়ার ধ্রববক, VC = প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম ভাগের দৈর্ঘ্য/ভার্নিয়ারের ভাগের সংখ্যা
স্লাইড ক্যালিপার্স: যে যন্ত্রের সাহায্যে গোলকের ব্যাস এবং আয়তন নির্ণয় করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে। রাইড ক্যালিপার্স একটি উন্নত ধরনের ভার্নিয়ার স্কেল।
বস্তুর দৈর্ঘ্য, চোঙ বা বেলনের উচ্চতা, ফাঁপা নলের অন্তর্বাস ও বহির্ব্যাস, গোলকের আয়তন নির্ণয় তথা ব্যাস, আয়তাকার বস্তুর আয়তন, সিলিন্ডার বা চোঙ বা বেলনের উচ্চতা ইত্যাদি নির্ণয়ে স্লাইড ক্যালিপার্স ব্যবহৃত হয়।
স্কু গজ: যে যন্ত্রো সম ব্যাসার্ধের একটি সরু থাকে তাকে সড়ু গজ বলে। এর অপর নাম মাইক্রোমিটার।
স্কু গজের সাহায্যে নিম্নলিখিত কাজগুলো করা যায়-
১. খুব সূক্ষ্ম দৈর্ঘ্য মাপা যায়।
২. তারের ব্যাস নির্ণয় করা যায়।
৩. পাতের পুরবত্ব নির্ণয় করা যায়।
৪. সরব চোঙের ব্যাসার্ধ নির্ণয় করা যায়।
লঘিষ্ঠ গণন: স্ক্র গজের বৃত্তাকার স্কেলের মাত্র একভাগ ঘুরালে তার T-এর প্রান্ত বা স্কুটি যতটুকু সরে আসে তাকে বলা হয় যন্ত্রের লঘিষ্ঠ গণন বা লঘিষ্ঠমান। সড়ু গজের বৃত্তাকা ফেলটিকে একবার ঘুরালে
এর যতটুকু সরণ ঘটে এবং রৈখিক স্কেল বরাবর যে দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে তাকে ঐ যন্ত্রের দৌড় বা পিচ বলে। যন্ত্রের শিচকে বৃত্তাকার স্কেলের সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে লঘিষ্ঠ মান পাওয়া যায়।
সুতরাং, লঘিষ্ঠ গণন = পিচ/বৃত্তাকার সেকলের ভাগের সংখ্যা।
যান্ত্রিক ত্রুটি: সঠিকভাবে পরিমাপ করা সত্ত্বেও যন্ত্রের যে এখটিনা কারণে কোনো বস্তুর সঠিক পরিমাণ পাওয়া যায় না তাকে ঐ যন্ত্রের যান্ত্রিক এবটি বলে। একে +- e দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
স্লাইড ক্যালিপার্সের ক্ষেত্রে: মূল স্কেলের চোয়াল ও ভার্নিয়ার স্কেলের চোয়াল যখন লেগে থাকে তখন সাধারণত ভার্নিয়ার স্কেলের শূন্য দাগ প্রধান স্কেলের শূন্য দাগের সাথে মিলে যায়। যদি ভার্নিয়ার স্কেলের ও মূল স্কেলের শূন্য দাগ না মিলে তবে ঐ যন্ত্রে যান্ত্রিক ত্রখটি রয়েছে বলে মনে করা হয়।
স্কু গজের ক্ষেত্রে: বৃত্তাকার স্কেলের শূন্য দাগ যখন রৈখিক সেকলের শূন্য দাগের সাথে না মিলে তবে ধরে নিতে হবে যন্ত্রে এখটি রয়েছে। এ ত্রখটিকে যান্ত্রিক ত্রবটি বলা হয়।
যান্ত্রিক ত্রবটি দু'প্রকার। যথা ধনাত্মক ও ঋণাত্মক ত্রবটি।
ধনাত্মক ত্রুটি: মূল স্কেলের চোয়াল ও ভার্নিয়ার স্কেলের চোয়াল পরস্পর লেগে থাকলে যদি ভার্নিয়ার সেকলের শূন্য দাগ মূল স্কেলের শূন্য দাগের ডানদিকে থাকে তবে তাকে ধনাত্মক এখটি বলে। এবেত্রে সঠিক পরিমাপের জন্য আপাত পরিমাপ থেকে যাত্রিক ত্রখটি বাদ দিতে হয়। অর্থাৎ সঠিক পরিমাণ আপাত পরিমাণ ধনাত্মক ত্রবটি।
ঋণাত্মক ত্রুটি: মূল স্কেলের চোয়াল এবং ভার্নিয়ার স্কেলের চোয়াল পরস্পর লেগে থাকলে যদি ভার্নিয়ার স্কেলের শূন্য দাগ মূল স্কেলের শূন্য দাগের বাম দিকে থাকে তবে তাকে ঋণাত্মক ত্রখটি বলে। এবেত্রে আপাত পরিমাপের সাথে যান্ত্রিক ত্রখটি যোগ করে সঠিক পরিমাণ পাওয়া যায়। অর্থাৎ সঠিক পরিমাপ আপাত পরিমাণ ঋণাত্মক ত্রবটি।
তুলা যন্ত্র: কোনো অল্প জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে পরিমাপের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় তাকে তুলা যন্ত্র বলে। তুলা যন্ত্র পদার্থবিদ্যা ও রসায়নে ল্যাবরেটরিতে কোনো অল্প জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর
১. বায়ু পাম্প কে আবিষ্কার করেন?
(ক) রবার্ট বয়েল
(খ) ডা. গিলবার্ট
(গ) তন পুয়েরিক
(ঘ) রোমার
২. সরণ, গতি, ত্বরণ, সময় ইত্যাদির সংজ্ঞা প্রদান করেন-
(ক) নিউটন
(খ) গ্যালিলিও
(গ) আর্কিমিডিস
(ঘ) ডেমোক্রিটাস
৩. পাখির ওড়া পর্যবেক্ষণ করে কোন বিজ্ঞানী উড়োজাহাজের একটি মডেল তৈরি করেছিলেন?
(ক) লিউনার্দো দ্য-তিথি
(খ) ডা. গিলবার্ট
(গ) রজার বেকন
(ঘ) ইবনে আল হাইসাম
8. কে আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রদান করেন?
(ক) পরাজক
(খ) আইনস্টাইন
(গ) রাদারফোর্ড
(ঘ) ফ্যারাডে
৫. গ্যালিলিও তার স্থিতিবিদ্যায় স্থান ও কালকে ব্যবহার করেছেন কোন সূত্রে?
(ক) গতি ও ত্বরণের
(খ) সরণ ও ত্বরণের
(গ) বেগ ও সরণের
(ঘ) বল ও ত্বরণের
৬. আলবার্ট আইনস্টাইন কোন তত্ত্ব প্রদান করেন?
(ক) কোয়াল্টাম তত্ত্ব
(খ) আপেরিক তত্ত্ব
(গ) কণা তত্ত্ব
(ঘ) তড়িৎ চৌম্বক তত্ত্ব
৭. উইন্ডমিল বা বায়ুকলের উল্লেখ পাওয়া যায় কোন মুসলিম বিজ্ঞানীর গ্রন্থে?
(ক) আল-মাসুদী
(খ) ইবনে আল হাইসাম
(গ) আল হাজেন
(ঘ) আবদুস সালাম
৮. নিচের কোনটি লঙ্খ রাশি?
(ক) ভর
(খ) তাপ
(গ) তড়িৎ প্রবাহ
(ঘ) বল
৯. এক অটো ওয়াট সমান কত ওয়াট?
(ক) 10(-9) W
(খ) 10(-27) W
(গ) 10(13) W
(ঘ) 10(18) W
১০. প্লাটিনাম-ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি 1kg ভরের সিলিন্ডারটির ব্যাসার্ধ কত?
(ক) 9.3 cm
(খ) 3-9 cm
(গ) 2-95 cm
(ঘ) 1-95 cm
১১. এক ন্যানো সেকেন্ড সমান কত সেকেন্ড?
(ক) 10(9) সেকেন্ডে
(খ) 10(8) সেকেন্ডে
(গ) 10(5) সেকেন্ডে
(ঘ) 10° সেকেন্ডে
১২. নিচের কোনটি ত্বরণের মাত্রা?
(ক) LT(1)
(খ) IT(-2)
(গ) MLI(2)
(গ) LI(2)
১৩. ভার্নিয়ার স্কেলের 50 ঘর সমান প্রধান স্কেলের 49 ঘর। প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম 1 ঘর Imm হলে, ভার্নিয়ার ধ্রুবক কত?
(ক) 0-2 cm
(খ) 0-02 cm
(গ) 0-002 cm
(ঘ) 0-001 cm
১৪. যদি ভার্নিয়ার স্কেলের 20 ঘর প্রধান স্কেলের ক্ষদ্রতম 19 ঘরের সমান হয়, তবে ভার্নিয়ার ধ্রুবক কত হবে?
(ক) 0-01 mm
(খ) 0-05 mm
(গ) 0-1 mm
(ঘ) 05 mm
১৫. রৈখিক স্কেল পাঠ 4 mm এবং বৃত্তাকার স্কেলের পাঠের মান 0-17 mm তারের ব্যাস কত?
(ক) 4-17 mm
(খ) 417 mm
(গ) 41-7 mm
(ঘ) 4107 mm
১৬. উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার যন্ত্রের নাম কী?
(ক) সিসমোগ্রাফ
(খ) ক্রেস্কোগ্রাফ
(গ) স্পিডোমিটার
(ঘ) অ্যামিটার
১৭. কোন বিজ্ঞানী প্রমাণ করেন যে, ক্যালরিক বলতে বাস্তবে কিছু নেই?
(ক) সার্সি
(খ) বটমলি
(গ) ইনজেন হাউস
(ঘ) কাউন্ট রামফোর্ড
১৮. হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন স্তরের ধারণা দেন কে?
(ক) রাদারফোর্ড
(খ) নিলস বোর
(গ) ওটো হান
(ঘ) হাইগেন
১৯. স্থানের জ্যামিতিক ধারণা সর্বপ্রথম কে উপস্থাপন করেন?
(ক) ইউক্লিড
(খ) গ্যালিলিও
(গ) নিউটন
(ঘ) এরিস্টটল
২০. বোসন কী ধরনের কণা?
(ক) কৃত্রিম কণা
(খ) মৌলিক কণা
(গ) সহমৌলিক কণা
(ঘ) জটিল কণা
২১. আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা ঘটে কোন বিজ্ঞানীর হাতে?
(ক) রজার বেকন
(খ) নিউটন
(গ) গ্যালিলিও
(ঘ) আইনস্টাইন
২২. কার বইয়ে বায়ুকলের উল্লেখ পাওয়া যায়?
(ক) টলেমী
(খ) আল-মাসুদী
(গ) আল-হাকিম
(ঘ) গিলবার্ট
২৩. আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রদান করেন কে?
(ক) ম্যাক্সওয়েল
(খ) ম্যাক্স পর্যাঙ্ক
(গ) আইনস্টাইন
(ঘ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
২৪. নিচের কোন বিজ্ঞানী রাশিয়ার?
(ক) জোসেফ হেনরি
(খ) এইচ.এফ. ই. লেজ
(গ) মাইকেল ফ্যারাডে
(ঘ) নিউটন
২৫. নিউটনের মতে কোনটির শুরু বা শেষ নাই?
(ক) শক্তি
(খ) বমতা
(গ) কাজ
(ঘ) স্থান
২৬. কোনটি মৌলিক রাশি?
(ক) ভর
(খ) বল
(গ) সরণ
(ঘ) বেগ
২৭. গিগা ন্যানোর কত গুণ?
(ক) 10(18) গুণ
(খ) 10(9) গুণ
(গ) 10(-18) গুণ
(ঘ) 10(6) গুণ
২৮. 1pF কত ফ্যারাড?
(ক) 10(12) F
(খ) 10(-12) F
(গ) 10(9) F
(ঘ) 10(-15) F
২৯. 6733000000 সংখ্যাটিকে বৈজ্ঞানিক প্রতীকে প্রকাশ করলে কী হবে?
(ক) 6-733 × 10(9)
(খ) 67-33 × 10(3)
(গ) 6-733 × 10(6)
(ঘ) 6733 × 10(5)
৩০. পিথাগোরাস অবদান রেখেছেন-
i. কম্পমান তারের উপর
ii. জ্যামিতিক উপপাদ্যে
iii. পরমাণুর গঠনে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii
খ) i ও iii
গ) ii ও iii
ঘ) i, ii ও iii
সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর ঃ
প্রশ্ন-১ঃ নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
শাকিল একটি আয়তাকার বস্তুর পৃষ্ঠের বেত্রফল ও আয়তন নির্ণয়ে স্লাইড ক্যালিপার্স ব্যবহার করায় সে নিম্নোক্ত পাঠ পেল।
প্রধান স্কেলের বুদ্রতম এক ঘরের মান, s =lcm
ভার্নিয়ার স্কেলের মোট ভাগসংখ্যা, n = 20
ভার্নিয়ার ধ্রুববক, VC = 0.05cm
আয়তাকার বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা নির্ণয়ের ছক:

ক. ব্যক্তিগত এবটি কাকে বলে?
খ. সংখ্যার বৈজ্ঞানিক প্রতীক বলতে কী বুঝ?
গ. আয়তাকার বস্তুটির বৃহত্তম তলের বেত্রফল কত হবে নির্ণয় কর।
ঘ. বস্তুটির সমগ্রতলের বেত্রফল এবং আয়তনের মধ্যে কোনটির সাংখ্যিক মান বৃহত্তর হবে তা বিশেরষণ কর।
< ১নং প্রশ্নের উত্তর >
ক. পর্যবেৰকের নিজের কারণে পাঠে যে ত্রখটি আসে তাকে ব্যক্তিগত এবটি বলে।
খ. বিজ্ঞানীরা এমন অনেক রাশি ব্যবহার করে থাকেন যেগুলোর মান খুব বড় বা খুব ছোট হতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই এ জাতীয় সংখ্যা পড়া, লেখা, বোঝা এবং মনে রাখা খুবই অসুবিধাজনক। আমরা দশ সংখ্যাটির ঘাত ব্যবহার করে এ সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য যে প্রতীক ব্যবহার করি তা হলো সংখ্যার বৈজ্ঞানিক প্রতীক। যেমন: 0.00001=10(5)।
গ. দৈর্ঘ্যের 1 নং পর্যবেৰণের পাঠ = M+V×VC
= 5.8cm+4×0.05cm
= 6.0cm
এভাবে প্রদত্ত সারণির সর্বডানের ঘরটি নিম্নোক্তর পে পূরণ করি এবং গড় পাঠ বের করি।

= 6.05cm×545cm
= 32.97cm(2)
= 33×10(4) M(2)
ঘ. আয়তাকার ঘনবস্তুটির সমগ্রতলের বেত্রফল
= 2(L × B + B× H + L × H)
= 2 (6-05 cm × 5-45 cm+5-45 cm × 5-85 cm+6-05 cm × 5-85 cm)
= 200-50 cm²
এবং আয়তন = L × B × H
= 6-05 cm × 5-45 cm × 5-85 cm
= 192-89 m³
সুতরাং সাংখ্যিক মান বিবেচনায় ঘনবস্তুটির আয়তন এর সমগ্রপৃষ্ঠের বেত্রফল অপেৰা বৃহত্তর মানের হবে।
প্রশ্ন-২ঃ নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
মাহফুজ একটি বৃত্তাকার প্রস্থচ্ছেদবিশিষ্ট তারের প্রস্থচ্ছেদের বেত্রফল নির্ণয় করতে ব্লু গজ ব্যবহার করায় সে নিম্নোক্ত পাঠ পেল:
রৈখিক স্কেলের এক ভাগের মান 1mm
বৃত্তাকার স্কেলের মোট ভাগ সংখ্যা 100
পিচ (বৃত্তাকার স্কেল সম্পূর্ণ একবার ঘুরালে রৈখিক স্কেলে যে দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে) 1mm
তারের ব্যাস নির্ণয়ের ছক:

ক. দৈব এবটি কী?
খ. লঘিষ্ঠ গণন বলতে কী বোঝ?
গ. বৃত্তাকার তারটির প্রস্থচ্ছেদের বেত্রফল নির্ণয় কর।
ঘ. উদ্দীপকের তারের ব্যাস নির্ণয়ের বেত্রে ক্রু গজ ও স্লাইড কালিপার্সের মধ্যে তোমার কাছে কোনটি বেশি উপযোগী বলে মনে হয় ব্যাখ্যা কর।
<২নং প্রশ্নের উত্তর>
ক. কোনো একটি ধ্রুবব রাশি কয়েকবার পরিমাপ করলে যে এবটির কারণে পরিমাপকৃত মানে অসামঞ্জস্য দেখা যায় তাকে দৈব এবটি বলে।
খ. বৃত্তাকার স্কেলের মাত্র এক ভাগ ঘুরালে এর প্রান্ত বা স্কুটি যতটুকু সরে আসে তাকে ওই যন্ত্রের লঘিষ্ঠ গণন বলে। যন্ত্রের ক্রু পিচকে বৃত্তাকার স্কেলের ভাগ সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে লঘিষ্ঠ গণন পাওয়া যায়।
সুতরাং, লঘিষ্ঠ গণন = যন্ত্রের স্ক্র পিচ/বৃত্তাকার স্কেলের ভাগ সংখ্যা
গ. তারের ব্যাস নির্ণয়ে প্রদত্ত সারণির সর্বডানের ঘরটি নিম্নোক্তরূ পে পূরণ করি এবং গড় পাঠ বের করি।

সুতরা, তারের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল,
A = 1/4rd² =1/4×3.14×(12.52)mm²
= 123.05mm² = 123 × 10(6)m²
ঘ. যে জিনিস যত ছোট, তার পরিমাপ তত সূক্ষ্মভাবে করতে হয় এবং এ জন্য প্রয়োজন তত সূক্ষ্ম যন্ত্রের। রাইড ক্যালিপার্সের সাহায্যে আমরা 0.1 mm পর্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরিমাপ করতে পারি কিন্তু ক্রু গজের সাহায্যে আমরা 0.01 mm পর্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরিমাপ করতে পারি। যেহেতু তারের ব্যাস খুব কম তাই এটি পরিমাপ করতে স্লাইড ক্যালিপার্স অপেৰা সকু গজ বেশি উপযোগী।
উদ্দীপকের তারের ব্যাস রাইড ক্যালিপার্সের সাহায্যে পরিমাপ করলে 12.5 mm অথবা 12-6mm পাওয়া যেত কিন্তু স্ক্র গজের সাহায্যে মেপে 12-52 mm পাওয়া গেল।
এই নোটগুলো কি ২০২৫-২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী?
হ্যাঁ, এই মাস্টারবুকগুলো সাম্প্রতিক সিলেবাস এবং প্রশ্নকাঠামো অনুসরণ করে নবম-দশম শ্রেণি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
📢 **পরবর্তী পর্ব খুব শিগগিরই আসছে... সাথে থাকো!** 🔥

